নন্দীগ্রামের ২০ শয্যা হাসপাতালটি অবিলম্বে চালুর দাবি

৩৯

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার নন্দীগ্রাম পৌর সদরের ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটি দীর্ঘ একযুগেও চালু হয়নি। পুর্নাঙ্গভাবে চালুর দাবিতে বুধবার বেলা ১১ টায় বগুড়া জেলা পরিষদের সদস্য ও নন্দীগ্রাম উপজেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি আনোয়ার হোসেন রানা তারঁ কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে করেন। লিখিত বক্তব্যে আনোয়ার হোসেন রানা বলেন, ৩১ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অবস্থান নন্দীগ্রাম উপজেলা সদর থেকে ৯ কিলোমিটার দুরে বিজরুল বাজারে। উপজেলা সদরে কোন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স না থাকায় পৌর শহরসহ আশেপাশের বিপুল সংখ্যক মানুষ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছিল। স্থানীয়দের দাবির প্রেক্ষিতে ২০০১-২০০২ অর্থবছরে উপজেলা সদরে ২০ শয্যা বিশিষ্ট একটি অত্যাধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সরকারের স্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের তত্ববধানে (নির্মাণ ও রক্ষাবেক্ষন ইউনিট-সিএমএমইউ) হাসপাতালটির অবকাঠামো নির্মাণসহ আনুসাঙ্গিক খাতে ব্যয় হয় ৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। ২০০২ সালে তড়িঘড়ি করে হাসপাতালটির ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন এবং নির্মাণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অথচ ২০০৫ সালে এর অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হয়। যা হাস্যকর। আর এটি শুধু রাজনৈতিকভাবে ফায়দা লোটার জন্যই নন্দীগ্রামবাসীর সঙ্গে এক ধরণের তামাশা করা হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালটি জীর্ণশীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ফলে বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠী স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। লিখিত বক্তব্যে আনোয়ার হোসেন রানা আরো বলেন, হাসপাতালটি পুর্ণাঙ্গভাবে চালু করা যায়, সে লক্ষ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সুদৃষ্টি দেওয়ার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি। এছাড়া সরকারের দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বরাবরে স্বারকলিপি পেশ, মানববন্ধন, গণস্বাক্ষরসহ বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষনা করা হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নাগরিক কমিটির সাধারন সম্পাদক মুক্তার হোসেন বকুল, নাগরিক কমিটির নেতা শরফুল হক উজ্জল, শফিকুল ইসলাম শফিক, তীর্থ শলিল রুদ্র, সানোয়ার হোসেন মিলন, আনন্দ কুমার রায়, আব্দুস সালাম, আবু নোমান, তারেক মাহমুদ ডিউ, আবু সাঈদ, কামরুল হাসান সবুজ, মামুনুর রশীদ মামুন, জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল, মাসুদ রানা মুকুল, মাহফুজুর রহমান প্রমুখ।