ধুনটে যমুনার নদীর তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের  ৫৬ মিটার ধসে যাওয়ায় এলাকায় আতঙ্ক

৬২

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি

নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে যমুনার কুল ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। গত দুই দিনে প্রবল স্রোতের টানে বগুড়া ধুনটের ভান্ডারবাড়ি কৈাগাড়ি ও বরইতলী  এলাকায় ৫৬ মিটার পাড় ধসে গেছে। এতে নদীর তীরবর্তী কৈয়াগাড়ী, বানিয়াযান, বরইতলী, ভান্ডারবাড়ি সহ আশ পাশের  কয়েকটি গ্রামের  মানুষ মধ্যে আবারও নদ ইউনিয়নের নদী ভাঙ্গন আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এলাকাবাসী জানায়, নদীর পানি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাওয়ায় স্রোতে টানে রবিবার কৈয়াগাড়ি ও বরইতলী গ্রামের সামনে দুই পাড়ে ধস নেমে  সোমবার দুপুর পর্যন্ত  ৫৬  মিটার পাড় ধসে পড়েছে। বগুড়া পাউবোর উপ সহকারী  প্রকৌশলী আসাদুল বারী  যমুনার পাড় ধসে যাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন,  ধস ঠেকানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্ভরযোগ্য সুত্র জানায়, ২০১৫ /১৬ অর্থ বছরে প্রায় ৩১৫ কোটি টাকা ব্যায়ে যমুনা নদীর সিরাজগঞ্জজেলার কাজিপুরের সীমানা থেকে ধুনটের ৬ কিলোমিটার এলাকায় যমুনার ডানতীর সংরক্ষন প্রকল্প (রিভেটমেন্টের ) কাজ করা কারনে নদী ভাঙ্গন আতঙ্ক দুর হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত কয়েক বছর থেকে উপজেলার ভান্ডাবাড়ি ইউনিয়নের যমুনা নদীর তীরবর্তী ভান্ডারবাড়ি , শহরাবাড়ি, শিমুলবাড়ি, বানিয়াযান , বরইতলী, কৈয়াগাড়ি, পুকুরিয়া , ভুতবাড়ি সহ ৭/৮ গ্রামের মানুষ নদী ভাঙ্গন থেকে অনেকটাই নিরাপদে ছিল।  গত কয়েকদিন ধরে যমুনার পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে পানির  স্রোত ও ঘর্নাবর্তে  কৈয়াগাড়ি ও বরই তলী এলাকায়  ২০১১  সালে ১২ কোটি টাকা ব্যায়ে  এলাকায় তীর সংরক্ষন প্রকল্পের  ৫৬ মিটার ধসে যাওয়ায় নদী পাড়ের মানুষের মধ্যে আরারও  নতুন করে নদী ভাঙ্গন আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতিকুল করিম আপেল বলেন, নদী তীরে  ভাঙ্গন শুরু হওয়ার পর বিষয়টি বগুড়া পানি উন্নয়ন বোডের কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। তিনি জানান, যমুনার ডানতীর সংরক্ষন প্রকল্প রক্ষা করা না গেলে ৪/৫টি গ্রাম সহ আবাদী জমিজমা ও মুল্যবান স্থাপনা যমুনার পেটে যাবে। বগুড়া পাউবোর দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, যমুনা নদীর ডানতীর সংরক্ষন প্রকল্পের ধুনটের অংশের কাজ সমাপ্তির ২/৩ বছরের মধ্যে কৈয়াগাড়ী এলাকায় সামনে যমুনার নদীর মুল অংশে হঠাৎ চর জেগে ওঠায়  পানির গতি পথ পরিবর্তন হয়ে খরস্রোত সরাসরি তীর সংরক্ষন প্রকল্পে আঘাত করার কারনে ঝুকিপুর্ন হওয়ায়  ধসে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।