তুরাগতীরে আরও ১৯ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

১৬

স্টাফ রির্পোটার, ঢাকা

প্রথম পর্যায়ের অভিযানের শেষ দিন গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর তুরাগ থানার গ্রামভাটুলিয়া এলাকায় তুরাগ নদের তীরের আরও ১৯টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডবিøউটিএ)। এদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত তুরাগ থানার গ্রামভাটুলিয়া এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। এটি ছিল চলমান উচ্ছেদ অভিযানের ২৭তম দিন। এদিন বিআইডবিøউটিএ’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযানকালে ৫টি পাকা ভবন, ৫টি আধা পাকা ভবন এবং ৯টি টিনের ঘরসহ মোট ১৯টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। উচ্ছেদকৃত পাকা ভবনের মধ্যে ছিল ১টি দোতলা ও ৪টি একতলা ভবন। এ সময় অবৈধভাবে নির্মিত ৪টি বালুর গদি অপসারণ করে তাৎক্ষণিক নিলামে ৪ লাখ ২ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। এছাড়া আড়াই একর তীরভূমি অবমুক্ত করা হয়। উচ্ছেদ অভিযানকালে এই অভিযানের তত্ত্বাবধানে থাকা বিআইডবিøউটিএ’র ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন এবং সংস্থার ঊর্ধ্বতন কমকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তৃতীয় পর্বের এই উচ্ছেদ অভিযানের দ্বিতীয় পর্যায় আগামী ১৬ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। একইভাবে তৃতীয় পর্যায়ে ২৩ থেকে ২৫ এপ্রিল এবং চতুর্থ ও শেষ পর্যায়ে ৩০ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান চালাবে বিআইডবিøউটিএ। বিআইডবিøউটিএ সূত্র জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ২৭ দিনের উচ্ছেদ অভিযানকালে বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ তীরের দুই হাজার ৯১৩টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। উচ্ছেদকৃত স্থাপনার মধ্যে রয়েছে ৩৯৯টি পাকা ও ৪৪৬টি আধা পাকা ভবন, ১৭৭টি পাকা সীমানা প্রাচীর এবং ১ হাজার ৮৯৫টি অন্যান্য স্থাপনা। অন্যান্য স্থাপনার মধ্যে ৮০টি স’মিল, দুইটি হাউজিং কোম্পানি, ৮টি কারখানা ও ২টি পার্কসহ বহুসংখ্যক টিনের ঘর ও টংঘরও রয়েছে। এই অভিযানে এখন পর্যন্ত অবমুক্তকৃত জায়গার পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৭০ একর এবং মোট নিলামের টাকার পরিমাণ ১ কোটি ৮০ লাখ ১৮ হাজার (ভ্যাট-আয়করসহ)। এছাড়া অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে একজনকে তিন মাসের কারাদন্ড প্রদানসহ অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে তিন লাখ ৮৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।