এই গ্রীষ্মে ঘুরে দেখুন ভারতের ৫ পাহাড়

৪৮

ডেস্ক রির্পোট

বৈশাখ মানেই কাঠফাটা রোদ্দুর। চৈত্রের শেষ থেকে ধেয়ে আসা উষ্ণতা বিরাজ করে বর্ষার আগ পর্যন্ত। প্রতিবেশী দেশ ভারতের উত্তর অংশের ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে তাপপ্রবাহ। সেখানে সামনেই গ্রীষ্মকালীন ছুটি। এ ছুটিতে ঘুরে আসতে পারেন ভারত থেকে। সেখানে দেখতে পারবেন পাহাড়ি গ্রাম। জেনে নিন জায়গাগুলো সম্পর্কে-

ল্যান্ডসডাউন: ভারতের উত্তরাখÐ রাজ্যের পাওরি গারওয়াল জেলায় অবস্থিত ল্যান্ডসডাউন। এখানে পাবেন ওক আর পাইন গাছ। বৃক্ষ ঘেরা এ পাহাড়ি বন সবার কাছে খুব জনপ্রিয়। তাই ছুটি পেলেই সবাই ভিড় জমান এখানে। দেশ-বিদেশের যে কেউ ঘুরে আসতে পারেন। সে জন্য ভ্রমণ ভিসা সম্পর্কে খোঁজ-খবর নিতে পারেন। ধনৌলটি: সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ২৮৬ মিটার উচ্চতার এই পাহাড়ি জনপদ পর্যটকদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। এটিও ভারতের উত্তরখÐ রাজ্যে হিমালয়ের কোলঘেঁষে অবস্থিত। স্থানীয় যারা শহরে থাকেন; তারা দু’দিনের মুক্তির স্বাদ পেতে বার বার যান এখানে। চাইলে বাংলাদেশ থেকে ঘুরে আসতে পারেন আপনিও। সেক্ষেত্রে ভিসা সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাবলি সম্পন্ন করতে হবে।কারণ, স্থানটি ভারতীয় সেনাবাহিনী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

কসৌলি: এটি ভারতের হিমাচল প্রদেশের সোলান জেলায় অবস্থিত। শান্ত এ পাহাড়ি জনপদ লেখকদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। একমনে নিজের কাজ করতে অনেকেই চলে আসেন এখানে। এখানকার মাঙ্কি পয়েন্ট ও গুরুদ্বারে পর্যটকদের ভিড় লেগেই থাকে। বিভিন্ন কাজে যারা গ্রীষ্মকালে ভারত যান, তারা অবশ্যই সুযোগ করে ঘুরে আসবেন এখান থেকে। আলমোরা: উত্তর প্রদেশের রাজধানী লক্ষেèৗ থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত আলমোরা। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের জন্য গরমের ছুটির অন্যতম গন্তব্যস্থল। পার্শ্ববর্তী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ থেকেও বহু মানুষ ঘুরতে যান সেখানে।

চাক্রাতা: বরফঢাকা পাহাড়চ‚ড়া  দেখতে দেখতে সকালের নাস্তা সারতে চান? তাহলে ঘুরে আসুন চাক্রাতা থেকে। এ গরমেও পুলওভার চাপিয়ে ঠান্ডার আমেজ নিতে পারবেন। এটি উত্তরÐের রাজধানী দেরাদুনে অবস্থিত।

দুপচাঁচিয়ায় অটিজম ও মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

দুপচাঁচিয়া(বগুড়া) প্রতিনিধিঃ ‘স্বাস্থ্য সেবা অধিকার, শেখ হাসিনার অঙ্গীকার, এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহের সমাপনী দিনে গতকাল শনিবার সকালে দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে অটিজম ও মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নবজাগরণ প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে ও স্বাস্থ্য বিভাগের এমটিইপিআই রফিকুল ইসলামের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র  কনসালটেন্ট(শিশু) ডাঃ একেএম ফজলুল হক, স্বাস্থ্য পরিদর্শক জাহাঙ্গীর আলম, ফার্মাসিস্ট একলিমুর রহমান দোয়েল, টিএলসিএ ফিরোজজ্জামান,  বিদ্যালয়ের উপদেষ্টা আব্দুল আলিম খান প্রমুখ। বক্তারা অটিজম ও মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের হাসপাতালে নিয়ে আসার পরামর্শ দেন।