অভিভাবকদের সচেতনতাই পারে মাদক নির্মূল করতে

সরকার, পুলিশ প্রশাসন এবং সবার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় চিরতরে মাদক নির্মূল করা সম্ভব।

195

বর্তমান বাংলাদেশে সর্বমহলে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় মাদক। মাদক দমন করতেই হবে। এর বিকল্প কিছু নেই।বর্তমান সরকার এবং পুলিশ প্রশাসন সহ এর অঙ্গ সংগঠনের ব্যাপক প্রচার প্রচারণা ও মাদকের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ ঘোষনা হয়েছে তাতে দেশ, সমাজ তথা স্থানীয়ভাবে সাধারন মানুষের মাঝে ব্যপক সাড়া জাগিয়েছে। যা সমাজ থেকে মাদক নিমূলে বিশেষ ভূমিকা রেখে চলেছে। এই ধারাবাহিকতা রক্ষার মাধ্যমে

সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করা সম্ভব বলে মনে করি।আমাদের সমাজে এখনও কিছুটা মাদকের প্রবণতা রয়েছে,আর এ ক্ষেত্রে অভিভাবকেরাই মাদক দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। কারণ পারিবারিক কারনেও অনেকে মাদকে জড়িয়ে পড়ে। বাবা- মায়ের আচরণ দৃষ্টিভঙ্গির কারনে আনেকে মাদক গ্রহন করে থাকে।পারিবারিক কোলাহলের কারণে অনেক সময় মাদকে আসক্ত হয়ে থাকে। প্রতিটি অভিভাবক তাঁর সন্তানের দিকে সুদৃষ্টি রাখলে সন্তান কখনো খারাপ কাজে জড়িত হতে পারবে না। অথচ বর্তমান সমাজে কোনো কোনো অভিভাবক খোঁজই রাখে না যে, তাঁর সন্তান কী করছে। গ্রাম থেকে শহরে গিয়ে সন্তান লেখাপড়া করলে সেই সন্তান নিজেকেই অভিভাবক মনে করে, যা ইচ্ছা তাই করে বেড়ায়। এ জন্য অভিভাবকদের এগিয়ে আসতে হবে এবং নিজের সন্তানের  খেয়াল রাখতে হবে।

সন্তান ছেলে হোক বা মেয়ে হোক কোথায় যায়, কী করে, কার সঙ্গে মেশে, ঠিকমত পড়াশোনা করে কি না—এসব বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। সন্তানের সাথে ভালোভাবে মন খুলে মিশতে হবে। তাই আসুন মাদক রুখতে সবাই সচেতন হই। আসুন আমরা আমাদের পরিবার ও দেশকে মাদকমুক্ত  হিসেবে গড়ে তুলি।

সর্বপরি মেহেরপুর টুডে পরিবারকে ধন্যবাদ, কেননা পূর্বেআমাদের নিজেদের মতামত কোথাও প্রকাশ করতে পারিনি। মেহেরেপুর টুডে আমাদের সেই সুযোগটি তৈরী করে দিয়েছে।

মেহেরেপুর টুডে পরিবারের সার্বিক মঙ্গল কামনা করি। ভবিষ্যতে তারা সাধারন জনগনের কথা বলবে এটাই কামনা করি।